কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬ এ ১০:৩৩ AM
অফিস সম্পর্কিত
কন্টেন্ট: পাতা
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট জোনের প্রধান প্রকৌশলী’র দপ্তরটি সিলেট মহানগরীর বাগবাড়ীস্থ এলাকায় বস্থিত। এটি বিদ্যুৎ ভবন নামে সুপরিচিত। এই ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর, বিতরণ অঞ্চল, বাবিউবো, সিলেট রয়েছে। তৃতীয় তলায় আঞ্চলিক হিসাব দপ্তর, বাবিউবো, সিলেট। চতুর্থ তলায় কম্পিউটার বিলিং সেন্টার এবংএনার্জি অডিটিং ইউনিট বিভাগ, বাবিউবো, সিলেট অবস্থিত। এই অফিস প্রাঙ্গণের ভিতরে কর্মকর্তা/কর্মচারীদের আবাসিক ভবন, রেস্ট হাউজ, মসজিদ, একটি প্রাথমিক ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে এবং সুন্দর একটি লেক রয়েছে। বিতরণ অঞ্চল, বিউবো, সিলেট এর অধীনে সিলেট বিভাগের চারটি জেলা সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এর বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছে।
সিলেট বিভাগের ০৪(চার) টি জেলা; সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এর বিস্তৃত ভৌগলিক এলাকা নিয়ে বিতরণ অঞ্চল, বাবিউবো, সিলেট গঠিত। সিলেট বিভাগ পর্যটন সমৃদ্ধ, প্রবাসী অধ্যুষিত দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এছাড়াও, দেশের চা শিল্পের একটি বৃহৎ অংশ এই বিভাগের আওতাধীনে রয়েছে। বর্তমানে সিলেট জোনের পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেল, বাবিউবো, সিলেট এবং পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেল, বাবিউবো, মৌলভীবাজারসহ ০২(দুই) টি পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেল বিদ্যমান। এই সার্কেলদ্বয়ের মধ্যে সিলেট সার্কেল এর অধীনে ০৭ টি নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর ও ০৩ টি আবাসিক প্রকৌশলীর দপ্তর এবং মৌলভীবাজার সার্কেল এর অধীনে ০৩ টি নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর ও ০১ টি আবাসিক প্রকৌশলীর দপ্তরসহ সিলেট জোনে সর্বমোট ১০ টি নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর ও ০৪ টি আবাসিক প্রকৌশলীর দপ্তর রয়েছে। বিতরণ অঞ্চল, বিউবো, সিলেট এর অধীনে ৬৪৫ কি.মি. ৩৩ কেভি লাইন, ২৪০৪ কি. মি. ১১ কেভি লাইন, ৫৬৩৫ কি.মি. ০.৪/০.২৩ কেভি লাইন এবং বিভিন্ন ক্ষমতার সর্বমোট ৫৪৪৪ টি বিতরণ ট্রান্সফরমার রয়েছে। এই জোনের মোট গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৫৬৬০০০ জন। প্রতি মাসে সিলেট জোনে প্রায় ২০০০ হতে ২৫০০ নতুন গ্রাহক বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। এছাড়াও, অত্র জোনের ১০ টি নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর ও ০৪ টি আবাসিক প্রকৌশলীর দপ্তর এর অধীনে মোট ২৭ (সাতাশ) টি ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্র রয়েছে। যার আওতাধীনে উপকেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম ভবন বিদ্যমান। সিলেট বিভাগ চলমান “বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প, সিলেট বিভাগ, বাবিউবো, সিলেট” কর্তৃক উপকেন্দ্র নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় ভবিষ্যতে উপকেন্দ্রের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে।